প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 21, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 29, 2025 ইং
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ১০ আগস্ট, চূড়ান্ত তালিকা ৩১ আগস্ট

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২০২৫ সালের নির্বাচনি প্রক্রিয়া জোরালোভাবে শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে আগামী ১০ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবং ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব নাসির উদ্দিন।
নাসির উদ্দিন জানান, আগে নির্বাচন কমিশন একটি সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিল। তবে ভোটার তালিকা আইন সংশোধনের কাজ সম্পন্ন হওয়ায়, এখন কমিশন একটি পূর্ণাঙ্গ হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে নতুন ভোটারদের নাম খসড়া তালিকায় যুক্ত করে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এরপর ২১ আগস্ট পর্যন্ত সময় থাকবে দাবি-আপত্তি জানানো ও তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ পূর্বে জানিয়েছিলেন, ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার নতুন ভোটার এবারের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। এই বিশাল সংখ্যক নতুন ভোটারের সংযুক্তি নির্বাচনকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
বর্তমানে দেশের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।
ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে: ভোটার তালিকা হালনাগাদ,বিতর্কহীন প্রার্থী যাচাই,নিরপেক্ষ তদারকি ব্যবস্থা,ভোটগ্রহণের সময় নিরাপত্তা জোরদার, এই বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ, নির্বাচনি এলাকার সীমানা চূড়ান্তকরণ এবং নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা নিয়ে কাজ শুরু করবে।এছাড়াও, নতুন ভোটারদের জন্য সচেতনতা কার্যক্রম এবং ভোটার আইডি কার্ড বিতরণ শুরু করা হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে।
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যে কেউ নিজের নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য তথ্য যাচাই করে আপত্তি জানাতে পারবেন। বিশেষ করে যারা সম্প্রতি ভোটার হয়েছেন বা ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন, তাদের জন্য এ সময়টি গুরুত্বপূর্ণ।
ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্রের সঠিকতা, বসবাসের ঠিকানা ও বয়সসংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ থাকা আবশ্যক।
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বিডি সময় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।